ভারত বনধ আগামী ২৬শে ফেব্রুয়ারি

ভারত বনধ আগামী ২৬শে ফেব্রুয়ারি

টিম যুগান্তর: আকাশছোঁয়া জ্বালানির মূল্যবৃদ্ধি, পণ্য ও সেবা কর, ই-বিল ইত্যাদির প্রতিবাদে ২৬শে ফেব্রুয়ারি অর্থাৎ আগামীকাল, শুক্রবার নিখিল ভারত ব্যবসায়ী সংঘ ভারত বন্ধের আহ্বান জানিয়েছে। অল ইন্ডিয়া ট্রান্সপোর্টার্স ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশন (AITWA) ব্যবসায়ী সংঘের ডাকা ভারত বনধকে সমর্থন করে ওইদিন চাক্কা জ্যামের আহ্বান জানিয়েছে।
বন্ধে সামিল ৪০,০০০-এরও বেশি ব্যবসায়ী সমিতি যার ফলে সমগ্র দেশে বিভিন্ন বাণিজ্যিক বাজারগুলি বন্ধ থাকবে বলে জানা যাচ্ছে। প্রতিবাদে সামিল হওয়ার জন্য ট্রান্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনের সমস্ত পরিবহন সংস্থাগুলি সকাল ৬টা থেকে রাত ৮টার মধ্যে যান চলাচল বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে এবং বিভিন্ন বেসরকারি পরিবহণ সংস্থাকেও অনুরোধ করেছে নির্দিষ্ট সময়ের জন্য যান চলাচল বন্ধ রাখতে। এর ফলে বিলভিত্তিক পণ্য সামগ্রীর বুকিং ও ডেলিভারির ক্ষেত্রে সাধারণ মানুষকে সমস্যার সম্মুখীন হতে হবে। সারা দেশ জুড়ে প্রায় দেড়হাজারের ওপর স্থানে ধর্না ডাকা হয়েছে। দেশ জুড়ে প্রায় ৪০লক্ষ রাস্তা বন্ধ রাখা হবে। সূত্রানুযায়ী, অল ইন্ডিয়া মোটর ট্রান্সপোর্ট কংগ্রেস(AIMTC) এবং ভাইচারা অল ইন্ডিয়া ট্রাক অপারেটর ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশন (BAITOWA) এই ধর্মঘটে অংশগ্রহণ করবে না বলে জানা গেছে।
ধর্মঘটের যে দাবিগুলি সামনে এসেছে তা হল জিএসটি প্রক্রিয়ার পর্যালোচনা এবং করের স্ল্যাবগুলির সরলীকরণ যা আন্দোলনকারীদের অন্যতম দাবি। ই-ওয়ে বিল আইন বাতিল করা এবং জ্বালানির দাম বৃদ্ধির প্রতিবাদে পরিবহনকারীরা বিক্ষোভে যোগ দিচ্ছেন। এই ই-ওয়ে বিলের অনুমতি দ্বারাই পণ্যগুলি এক স্থান থেকে অন্য স্থানে নিয়ে যাওয়া হয়। জিএসটির আইনগুলিতে সাম্প্রতিক সংশোধনী অনুযায়ী প্রতিদিন ১০০ কিলোমিটার থেকে বর্ধিত করে ২০০ কিলোমিটার করা হয়েছে যার ফলে এই বিলের বৈধতা সংকুচিত হয়েছে। মেয়াদোত্তীর্ণ ই-ওয়ে বিল সহ চালান বহনকারী ট্রাকের ধরা পড়ার ক্ষেত্রে বা কেন্দ্রের জিএসটি আইন(CGST act, 2017), এর ধারা ১২৯ এর অধীনে করের মূল্যের ২০০ শতাংশ বা চালানের মূল্যের ১০০ শতাংশ হিসাবে জরিমানা ধার্য করা হবে। এই সমস্ত কারণে ডাকা কালকের ভারত বনধ কতটা কার্যকরী হবে তা সময়ের অপেক্ষা।

শেয়ার করুন

0Shares
0
অর্থনীতি, রাজনীতি এবং সাম্প্রতিক